ঢাকার চিটাগাং গ্রামার স্কুল, স্কলাস্টিকাসহ বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যমের বিদ্যালয়গুলোয় করোনাকালের আগে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে টিউশন ফি আদায় করা হতো। তবে করোনাকালে অনলাইন ক্লাসের জন্য ওই একই হারে টিউশন ফি আদায় কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন। একই সঙ্গে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আদায়যোগ্য টিউশন ফি নির্ধারণ বিষয়ে অংশীজনদের নিয়ে তিন মাসের মধ্যে একটি পরিকল্পনা তৈরি করে তা, সরকারের কাছে দিতে ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিবাদীদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আইনজীবী তানভীর কাদেরসহ ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুজন অভিভাবক গতকাল রোববার ওই রিটটি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী অনীক আর হক, আসিফ বিন আনওয়ার ও তানভীর কাদের। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জেসমিন সুলতানা শামসাদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সামিউল আলম সরকার।

রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী অনীক আর হক বলেন, ‘ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আদায়যোগ্য টিউশন ফি নির্ধারণ বিষয়ে অংশীজনদের নিয়ে আলোচনা করে তিন মাসের মধ্যে একটি পরিকল্পনা তৈরি করে তা, সরকারের কাছে দিতে ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিবাদীদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, চিটাগাং গ্রামার স্কুল, ঢাকা এবং স্কলাস্টিকা স্কুল কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।’

(সূত্র: প্রথম আলো)