দ্বিতীয় প্রান্তিকে এসে বিশ্বব্যাপী পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ ১৪ শতাংশ কমেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা- ডব্লিউটিও প্রকাশিত গুডস ট্রেড ব্যারোমিটারে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ১৯ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, গুডস ট্রেড ব্যারোমিটার সূচকে ১০০ পয়েন্টের মধ্যে বিশ্বব্যাপী পণ্য বাণিজ্য ৮৪.৫-তে অবস্থান করছে। অর্থাৎ সূচকের সর্বোচ্চ মাত্রা থেকে ১৫.৫ পয়েন্ট কমে এর অবস্থান। এবং গত বছরের ২য় প্রান্তিকের চেয়ে এই অর্জন ১৮.৬ পয়েন্ট কম।

এরকম বড় পতন এর আগে রেকর্ড করা হয়েছিল ২০০৭ সালে। এই পতন বিশ্বমন্দায় কবলে পড়া ২০০৮-০৯ আর্থিক বছরের খাদে পড়া সূচকের নিম্নতম অবস্থানের সমান। তৃতীয় প্রান্তিকে এসে এই বাণিজ্যিক অবস্থার যে খুব উন্নতি হবে সে ব্যাপারেও জোরালো কোন যুক্তি দেখায়নি সংস্থাটি। বরং ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তাকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

গেল এপ্রিলে সংস্থাটির পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল চলতি বছর বিশ্বব্যাপী পণ্য বাণিজ্যিকীকরণ ২০১৯ সালের তুলনায় ১৩ শতাংশ কমবে। তবে, এই পতন বা অর্জনের সঠিক হিসাব পাওয়া যাবে বছর শেষে যখন সব দেশ তাদের বাণিজ্যের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করবে। সূচকটিতে গাড়ির পণ্য বাণিজ্যের অবস্থান ৭১.৮ পয়েন্টে আর ৭৬.৫ পয়েন্ট আকাশ পরিবহনের। ২০০৭ সালের পর সূচকের এতো বাজে অবস্থা এই খাতের। ১০০ পয়েন্টের সূচকে ৮৬.৯ পয়েন্ট নিয়ে কন্টেইনার শিপিংও এই চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে এসে চরম হতাশ করেছে। তবে, ৮৮.৪ পয়েন্ট নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে পণ্য রপ্তানি কার্যাদেশ। আর খুবই খল্প অল্প পতন হলেও ইলেক্ট্রনিক পণ্যের উপাদান ৯২.৮ ও কৃষিপণ্যের কাঁচামাল ৯২.৫ পয়েন্ট নিয়ে করোনাকালে মোটামুটি ভালো অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে।