শরীরকে সুস্থ রাখতে দরকার হয় পরিমাণ মতো প্রোটিনের। প্রোটিনই শরীরে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে কাজে আসে। প্রোটিনে প্রচুর অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে যা শরীরের পেশী বৃদ্ধি হয়। অনেক সময় শরীরে প্রোটিনের ঘাটতিও দেখা দেয়। ঘাটতির লক্ষণ এড়িয়ে গেলে ভবিষ্যতে শরীরে বড় ক্ষতি হতে পারে।

শরীরকে যদি দালানের সাথে তুলনা করা হয় তাহলে প্রোটিন হলো ইট। শরীরের গঠন উপাদান হিসেবে কাজ করে এই প্রোটিন। প্রতিদিনের ক্যালরি চাহিদার অন্তত ২০ থেকে ৩০ শতাংশ প্রোটিন থেকে পূরণ করা উচিত। খাবারের এই উপাদান শারীরিক বিকাশে ও মাংসপেশি গঠনে সাহায্য করে। শিশুদের বাড়ন্ত বয়সে তাই প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত মাছ, মাংস, দুধ, ডিম এইসব খাবারে প্রোটিন থাকে।

১. হঠাৎ করে ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ বা খসখসে হয়ে যায়।

২. প্রোটিনের অভাবে নখের রং ফ্যাকাশে হয়ে যেতে পারে।তখন নখ দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়।

৩. শরীরে প্রোটিনের অভাবে হলে রক্তরস কমে আসে। এতে চোখের চারপাশ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যেতে পারে।

৪. প্রোটিনের অভাবে হঠাৎ প্রচুর পরিমাণে চুল ঝরতে পারে।

৫. শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হলে লালাগ্রন্থি ফুলে যায়। এতে হঠাৎ গাল, মুখ ফুলে যেতে পারে।

৬. শরীরের প্রোটিনে ঘাটতি হলে সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগে। সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে যেতে পারেন। সব সময় ঘুম ঘুম ভাব বা ঝিমুনি ভাবও দেখা দেয়।

৭. প্রোটিন শরীরে নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে। তাই প্রোটিনের ঘাটতি হলে শরীরে পানির আধিক্য দেখা দেয়। তখন শরীরের বিভিন্ন অংশে অস্বাভাবিক ফোলাভাব তৈরি হয়।