সাকিব আল হাসানকে নিয়ে সব সময়ই চলে বিতর্ক। মাঠে এবং মাঠের বাইরে সমালোচনাকারীরা সবসময়ই অপেক্ষায় থাকে কখন সাকিব আল হাসানকে নিয়ে সমালোচনায় মাতবেন। পূজায় গিয়েও বিতর্কিত হয়েছিলেন টাইগার ক্রিকেটের প্রাণ সাকিব আল হাসান। কিন্তু একজন মুসলমান হিসেবে সাকিব কিন্তু ঠিকই পালন করে যাচ্ছেন তার দায়িত্ব ও কর্তব্য। সেই ধারাবাহিকতা থেকেই ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের নামাজ আদায়ের জন্য নানা বাড়ী এলাকায় একটি মসজিদ তৈরি করেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

তবে মসজিদ নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের প্রচারণা চালাতে চান না। যমুনা নিউজকে সাকিব আল হাসানের বাবা মাশরুর রেজা বলেন, মসজিদ নির্মাণের ব্যাপারটি গণমাধ্যমে প্রকাশ পাক সেটা আমরা চাই না। এই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে এটি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে।

২০২০ সালের এপ্রিল মাসে মসজিদটি উদ্বোধন করা হলেও সাকিব আল হাসানও চাননি এটি নিয়ে কোনো ধরনের প্রচারণা। তাই বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ করেননি তিনি। সাকিবের জন্ম মাগুরায় হলেও একই জেলার আলোকদিয়ার বারাশিয়ায় তার নানার বাড়ি। আর সেখানেই প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা খরচ করে মসজিদ নির্মাণ করেন সাকিব আল হাসান। একতলা বিশিষ্ট ওই মসজিদে ২৪০ জন মানুষ এক সাথে নামাজ পড়তে পারবেন।

মসজিদটি উদ্বোধন হওয়ার পর থেকেই ইমামতি করে আসছেন মুফতি মোহাম্মাদ আতিক উল্লাহ। তিনি বলেন, নানাবাড়ি এলাকায় সাকিবের এ মহৎ কাজে এলাকাবাসী খুবই খুশি। এ ব্যাপারে সাকিবের ছোট মামা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক বাবলুর রহমান বলেন, সাকিব নিজের অর্থায়নে এখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেছে। তবে বিষয়টি সে প্রচার করতে চায়নি।

মুসলমানদের নামাজ আদায়ের জন্য নানার বাড়ি এলাকায় একটি মসজিদ তৈরি করেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে মসজিদ নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের প্রচারণা চালাতে চান না তিনি। সাকিব আল হাসানের বাবা মাশরুর রেজা বলেন, ‘মসজিদ নির্মাণের ব্যাপারটি গণমাধ্যমে প্রকাশ পাক সেটা আমরা চাই না। এই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে এটি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে।’

সাকিবের জন্ম মাগুরায় হলেও একই জেলার আলোকদিয়ার বারাশিয়ায় তার নানার বাড়ি। আর সেখানেই গত বছরের এপ্রিল মাসে মসজিদটি উদ্বোধন করা হলেও বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ করেননি তিনি। প্রায় ৩৫ লাখ টাকা খরচ করে মসজিদ নির্মাণ করেন সাকিব। একতলা বিশিষ্ট ওই মসজিদে ২৪০ জন মানুষ এক সঙ্গে নামাজ পড়তে পারবেন। এ বিষয়ে সাকিবের ছোট মামা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক বাবলুর রহমান জানান, সাকিব নিজের অর্থায়নে এখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেছে। তবে বিষয়টি তিনি প্রচার করতে চায়নি।

মাগুরার আলোকদিয়ার বারাশিয়ায় সাকিব আল হাসানের নানাবাড়ি এলাকায় মসজিদ নির্মাণ করে দিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। গত বছরের এপ্রিলে মসজিদটি উদ্বোধন করা হয়। তবে বিষয়টি প্রচারে আসুক এটা সাকিব চাননি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাগুরার আলোকদিয়ার বারাশিয়ায় নানার বাড়ি এলাকায় মসজিদটি নির্মাণ করেছেন সাকিব। বারাশিয়া পূর্বপাড়া জামে মসজিদটি নির্মাণে প্রায় ৩৫ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। একতলা বিশিষ্ট ওই মসজিদের ভেতরে ছয়টি কাতার করা হয়েছে। প্রতি কাতারে ৪০ জনের মতো মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদটি উদ্বোধনের পর থেকে সেখানে ইমামতি করছেন মুফতি মো. আতিক উল্লাহ। তিনি জানান, নানাবাড়ি এলাকায় সাকিবের এ মহৎ কাজে এলাকাবাসী খুবই খুশি।