গৃহবধূ তাহমিনা আক্তার। দুই সন্তানের জননী। প্রেমে পড়ে দুই সন্তানকে ঘরে রেখে পালিয়ে গেছেন প্রেমিক নূর মিয়ার সঙ্গে। এ ঘটনার পর তাকে তালাক দেন স্বামী সৌদি প্রবাসী।

জানা যায়, মোবাইল ফোনের ইমোতে একই এলাকার আরেক সৌদি প্রবাসী নূর মিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয় তাহমিনার। এরপর থেকে নূর মিয়ার সঙ্গে প্রেম গড়ে উঠে। সেই প্রেমের সূত্র ধরে সম্প্রতি দেশে আসা নূর মিয়ার সঙ্গে সন্তান, স্বামীর ঘর ছেড়ে পালিয়েছিলেন তাহমিনা আক্তার। পরে স্থানীয় ব্যক্তিত্বরা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। কিন্তু এতে লাভ হয়নি বরং তাহমিনার ঠাঁই হয়েছে নিরাপত্তা হেফাজতে। সেখান থেকে মুক্ত হওয়ার পর এখন স্বামীর ঘরে সন্তানদের সঙ্গে বসবাসের চেষ্টা চালাচ্ছেন তাহমিনা।

সিলেট শহরতলীর কেমিদপুরে তাহমিনা আক্তারের স্বামীর বাড়ি। তাহমিনারের নিজের বাড়ি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, তাহমিনার প্রেমের সম্পর্ক জানতো না কেউ। গত ৯ জানুয়ারি হঠাৎ করে স্বামীর ঘর থেকে দুই সন্তানকে রেখে নিখোঁজ হয় তাহমিনা আক্তার। এ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন ওই প্রবাসীর মা। তারা খোঁজখবর নিয়েও তাহমিনার ব্যাপারে তথ্য জানতে পারেননি। তাহমিনা নিখোঁজের ঘটনার পর শাশুড়ি সিলেটের জালালাবাদ থানায় জিডি দায়ের করেন।

পরে জানা যায়, সৌদিফেরত প্রেমিকের সঙ্গেই ঘর ছেড়েছে তাহমিনা। নূর মিয়ার হাত ধরেই সে স্বামীর ঘর ও সন্তানদের ছেড়ে পালিয়েছিল। নূর মিয়ার পরিবার তাহমিনাকে স্বামীর ঘরে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু তাহমিনাকে আর ঘরে তুলতে রাজি হননি শাশুড়ি। বরং তিনি তাহমিনার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তুলে জালালাবাদ থানায় অভিযোগ দাখিল করেন।

পরে তাহমিনা আশ্রয় নেন স্থানীয় মোগলগাঁও ইউপি মেম্বার বাবুল মিয়া ও ফজলু মিয়ার কাছে। দীর্ঘ ২১ দিন দুই মেম্বারের জিম্মা শেষে অবশেষে গত ১ ফেব্রুয়ারি রাতে ফিরে যান স্বামীর বাড়ি। কিন্তু এর আগেই স্বামী তাকে তালাক দেন। খবর পেয়ে পুলিশও যায় সেখানে। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। সব কূল হারানো তাহমিনাকে শেষে আদালতের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেয়া হয় নিরাপত্তা হেফাজতে।

গত বৃহস্পতিবার বোনের জিম্মায় মুক্তি পেয়েছেন তাহমিনা আক্তার। তার স্বজনরা জানিয়েছেন, তামান্না আক্তারের ঘটনা থেকে তার শাশুড়ি ফায়দা লুটছে। মা থেকে দুই সন্তানকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। এটি কোনো ভাবেই উচিত হচ্ছে না।

Housewife Tahmina Akhter. Mother of two children. After falling in love, she left her two children at home and ran away with her boyfriend Nur Mia. After this incident, her husband divorced her.

It is learned that Tahminar met Nur Mia, another Saudi expatriate from the same area, through a mobile phone emoji. From then on, he fell in love with Nur Mia. Tahmina Akhter fled from her husband’s house with Nur Mia, who recently came to the country on the basis of that love. Later, local personalities took the initiative to resolve the issue. But it did not help, but Tahmina’s place is in the custody of security. After being released from there, Tahmina is now trying to live with her children in her husband’s house.

Tahmina Akter’s husband’s house at Kemidpur in Sylhet suburb. Tahminar’s own house is in Doarabazar of Sunamganj.

According to the locals, no one knew about Tahmina’s love affair. On January 9, Tahmina Akhter went missing leaving her two children behind. The mother of the expatriate became worried about this. They did not find out any information about Tahmina. After the disappearance of Tahmina, the mother-in-law filed a GD with the Jalalabad police station in Sylhet.

It was later learned that Tahmina had left home with her Saudi boyfriend. She ran away from her husband’s house and children holding Nur Mia’s hand. Nur Mia’s family sent Tahmina to her husband’s house. But the mother-in-law did not agree to take Tahmina home. Instead, he lodged a complaint against Tahmina with the Jalalabad police station.

Later, Tahmina took refuge with local Mughalgaon UP members Babul Mia and Fazlu Mia. After 21 days of custody of two members, she finally returned to her husband’s house on the night of February 1. But before that her husband divorced her. Upon receiving the news, the police also went there. He was later rescued and brought to the police station. Tahmina, who lost all her cool, was finally sent to security custody through the court.

Tahmina Akhter was released in the custody of her sister last Thursday. According to her relatives, her mother-in-law is benefiting from Tamanna Akter’s incident. She has separated her two children from her mother. This is not happening in any way.